মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে এক নারিকে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে গজারিয়া ও গোসাইরচর দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায় ।
বুধবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় গজারিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় এক নারীকে উত্ত্যক্ত করা কেন্দ্র করে গোসারচর গ্রামের পাভেল নামে এক যুবক আহত হয়। পাভেল আহত হওয়ার সংবাদ গোসাইরচর গ্রামে পৌঁছলে একই গ্রামের ৪০ / ৫০ জন যুবক গজারিয়া মেঘনা লঞ্চঘাট এলাকায় হামলা চালানোর চেষ্টা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গজারিয়া গ্রামে আহত হয়েছে মঞ্জু মিয়া (৩০)পিতা শরীফ বেপারী, নাহিদ২৪) পিতা শাজাহান রাসেল(২৮) পিতা মানিক মিয়া, রাব্বি পিতা ইকবাল বেপারীসহ ৪জন। অপরদিকে গোসারচর গ্রামের পাভেল,( ২৪),সিএনজি চালক রিপন, মিশুক চালক মতিনসহ কয়েকজন আহত হন ।
আহত পাভেলকে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসা জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। গোসাইরচর গ্রামের একাধিক লোক জানান যুবলীগ নেতা বাসারের পিতা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা প্রতিহত করার ডাক দেয়।আনুমানিক ৯ টায় গজারিয়া বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জরিয়ে পড়ে দুই গ্রামের যুবক ও নারী পুরুষ।
দুই গ্রামের সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে গজারিয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কর্মকর্তা সহ একাধিক পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। গজারিয়া উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক সৈয়দ সিদ্দিকী উল্লাহ ফরিদ জানান দুই গ্রামের সংঘর্ষ কোন দলীয় বিষয় না। আমরা বিএনপির স্হানীয় নেতৃবৃন্দ সকলেই এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, এবং উভয় পক্ষের লোকজন শান্তির জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ ।
গজারিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার আলম আজাদ জানান এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। সংঘর্ষের পর দুই পক্ষেই আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে স্থানীয়ভাবে নেতৃবৃন্দ দুই পক্ষকে আপোষ মীমাংসায় সমাধানে কাজ করতেছেন ।
মন্তব্য করুন